বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম – শিল্পীর জীবনী

বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম। যে মানুষটি এই গান করেছেন তিনি পেশায় একজন বাদাম বিক্রেতা। তার নাম ভুবন বাদ্যকর। বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা

তার মায়ের নাম হচ্ছে সৃতমা বাদ্যকর এবং তার বাবার নাম হচ্ছে শিবনাথ বাদ্যকর। দুর্ভাগ্যবশত তার মা-বাবা দুজনেই মারা গেছে। আর ভুবন বাধ্য করের নিজস্ব সম্পত্তি বলতে তার বসবাসের স্থান এক কথায় বলা যায় তার বাড়ি আর তার বাড়িটি হচ্ছে মাটির এবং মাথার উপরে টিন দাঁড়া আবাচ্ছন্ন। আর ওই বাড়িটি তে মোট একটি ঘর রয়েছে তা অনেক বড় আর ওই ঘরে 9 থেকে 10 জন মানুষ থাকে তার বোন আর স্ত্রী এবং এক মেয়ে দুই ছেলে এবং ছেলের বউ আর তিনি সোহো সবাই মিলেই থাকে ওই ঘরে।

বাদাম বিক্রি করে প্রতিদিন ২০০-২৫০ টাকা উপার্জন হয় ভুবনের। ভুবনের এই গানের সুরের টানে ছুটে আসেন অনেকে। শুধু গান শোনা নয়, গানের পাশাপাশি তার কাছে ক্রেতারা বাদামও কেনেন। শুধু টাকা দিয়ে নয়, পুরনো সিটি গোল্ডের চেন, চুড়ি, হাতের বালা, ভাঙা মোবাইল , হাঁসের পালক, মাথার চুল ইত্যাদির বিনিময়েও বাদাম কেনা যায় তার কাছ থেকে। মূলত তিনি বিভিন্ন বাড়ি থেকে মোবাইলের কেসিং বা সিটি গোল্ড এর পুরাতন গহনার পরিবর্তে টাকা অথবা কাঁচা বাদাম বিনিময় করেন।

বাংলাদেশের ইন্টারনেটে হুট করেই জনপ্রিয় হয়ে যাওয়া ভুবন বাদ্যকরকে নিয়ে তেমন আগ্রহ না থাকলেও তার গান নিয়ে টিকটক লাইকিতে তুমুল ঝড় ওঠে। অনেক সংগীতশিল্পী গানটিকে লুফে নিয়ে নতুন সংগীত আয়োজনে গাইতে শুরু করেন। র‍্যাপ যুক্ত গান তৈরি হয়ে যায় অসংখ্য।

রাতারাতি এই খ্যাতি বেশ উপভোগ করছেন এই বাদামওয়ালা। গান নিজে লিখেছেন এবং সুর দিয়েছেন। বাউল গান গাওয়ার অভিজ্ঞতাও আছে তার। সুযোগ পেলে সবাইকে আরো গান শোনাতে চান তিনি।

গানের কিছু কলি:-

বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম, আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম

  • হাতের বালা, পায়ের চুরি, সিটি গোল্ডের চেন
  • দিয়ে যাবেন। আজি সমান সমান বাদাম পাবেন
  • বাদাম বাদাম দাদা বাদাম বাদাম,
  • বাদাম আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম।
  • আমার কাছে নাই গো বুবু ভাজা বাদাম।
  • আছে কাঁচা বাদাম…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *