সুমন আর মিমের কঠিন ভালোবাসার গল্প 2022

ভালোবাসার গল্প 2022 সুমন আর মিমের. মীম-তোমার সাথে কিছু কথা ছিল! সুমন- হ্যা বল! মীম-আমি আর তোমার সাথে রিলেশন রাখতে পারছি না। সুমন- মানে? মীম-I want breakup. সুমন- কিন্তু কেন?… (টুট টুট) ফোনটা কেটে দিল মীম। সুমন নিশ্চুপে কাদতেঁ লাগল। আর কিছু স্মৃতি মনে করতে লাগল। মীমই তাকে প্রথম ভালবাসার কথা বলেছে। কিন্তু সুমন প্রথমে রাজি হয়নি। কারণ তার একটি অতীত আছে। যা কেউই জানে না। মীম বহু কষ্টে সুমনের বন্ধু রিমেলকে (রাজ)দিয়ে রাজি করিয়েছিল।

খুব কিছুদিন ভালোই চলছিল তাদের রিলেশন। কিন্তু হঠাত মীমের মুখ থেকে এমন কথা শুনার পর সুমন খুব কষ্ট পায়। ওদিকে সুমনকে এসব কথা বলার পর মীমও ঠীক যেন নিজেকে কন্ট্রল করতে পারছে না, সেও রুম লক করে কেদেই চলছে কারণ মীম সুমনকে প্রচন্ড,ভালবাসে।কিন্তু তার কেন যানি মনে হয় সে সুমনের থেকে সেই ভালবাসাটা পায়নি। কিছুক্ষণ পর রুম থেকে বের হয়ে সুমনের বাসার উদ্দেশ্য রওনা হল

ভালোবাসার গল্প 2022

সুমনের দেয়া সব গিফট ফেরত দিয়ে দিবে। মীম-আন্টি সুমন আছে? ও তো নেই। তুমি বস ও কিছুক্ষণের মধ্যেই চলে আসবে। মীম সুমনের রুমে বসে আছে। টেবিলে একটি ডাইরি পড়ে আছে। মীম ডাইরিটি হাতে নিল। উপরে লেখা ছিল তোমাকে বলছি তিথি” মীম ভ্রু কুচকে তাকাল। তিথি আবার কে? পড়া শুরু করল ডাইরিতে তিথি আর সুমনের ভালবাসার কথা লেখা ছিল।

একটা এক্সিডেন্টে তিথি
অজানা দেশে
পাড়ি জমায়।
মীম মনে ভাবছে, “এইজন্যই সুমন
প্রথমে আমার প্রস্তাবে রাজি হতে
চায়নি। তিথি
আবার পড়তে শুরু করল।
তারিখঃ ১০-১০-১৪ ইং
আজ আমার জীবনের আলো নিভে গেল।
.
এর প্রায় দুবছর পরের লিখা
১০-১০-১৬ ইং
জানো তিথি. গতকিছুদিন ধরে
মীম নামে একটি মেয়ে আমার দিকে তার
ভালবাসার
হাত বাড়াচ্ছে।তুমিই বল আমি
কিভাবে
সেই হাত ধরব! আমার হাত তো
তোমার সাথে জড়িয়ে আছে। মেয়েটির
সাথে
তোমার একটু মিল আছে। মেয়েটিও
খুব
জেদী।

১৭-১০-১৬ ইং
জানো তিথি, আজ তোমার শেষ
আশা পূরণ
হল। তোমার কথামতো আজ আমি
আবার
ভালবাসার চাদরে জড়িয়ে গেলাম। মীমের
ভালবাসায়। কিন্তু মনটা তোমার
কাছেই
আছে ও থাকবে।

ভালোবাসা গল্প 2022

ভালোবাসা গল্প 2022

০৫-১১-১৬ ইং জানো তিথি, মেয়েটি আমাকে বড্ড ভালবাসে। ঠিক তোমার মত কেয়ার নেয়। তোমার মতই বকে। তবে তোমার মত হাসাতে পারে না। কারণ হাসিটাই হারিয়ে গেছে। ১৬-১২-১৬র ইং আজ আমি মীমকে ভালবেসে ফেললাম। জানো তিথি, আজ আমার হাতে কাটা ফুটেছিলো। রক্তও বের হয়েছিল। মীম রক্ত দেখে সে কি কান্নাটাই না শুরু করল বলে বুঝাতে পারব না আমাদেরকে দোয়া করিও।

শেষ লেখাটি কিছুক্ষণ আগের “জানো তিথি আজ মীম আমাকে ছেড়ে চলে গেল। আমি আবার একা হয় গেলাম। ওহ! ভুল বলেছি আবার ভালবাসা হারিয়ে ফেললাম। তুমি তো আমার সাথেই আছ। তাই আমি একা নই। আজ তোমার কথা খুব মনে পড়ছে জানো তিথি, মীম না খুব ভাল। তবে কেন এমন করল বুঝতে পারছি না। বুকটা চিনচিন করছে। থাক ও যেন ভাল থাকে সেই দোয়া করছি। তুমিও করিও। আজ তোমার কাছে আসতে ইচ্ছে করছে।

কিন্তু
মায়ের
হাত ছাড়তে পারছি না। তোমায়
খুব মনে
পড়ছে। তুমি কেন গেলে আমায়
রেখে! .
পড়া শেষে মীম কাদতে লাগল।
এমন
ছেলের
ভালবাসাকে ঠোকরানো মানে
হীরাকে হাতে পেয়েও ফেলে দেয়া। মীম
এই ভুল
করতে চায় না। তাই সে দৌড়
দিয়ে নদীর
পাড়ে গেল। কারণ সুমনের মন
খারাপ থাকলে সে নদীর পাড়ে যায়।
যেয়ে দেখল সুমন বসে সে আছে। মীম তার
পাশেই বসে পড়ল। সুমন খেয়াল
করল না। মীম কাশি দিল। সুমন তাকে
দেখে অবাক
হল।

তুমি এখানে?
মীম সুমনকে জড়িয়ে ধরে কেদে কেদে
বলতে লাগল, স্যরি বাবু আর
কখনোই
এমন
হবে না। আমি তোমাকে আজীবনই
ভালবেসে যাব। আমায় ক্ষমা করে দাও।
তুমিই তো ব্রেকআপ চাইলে।
রাখো তোমার ব্রেকআপ। কিসের
ব্রেকআপ? আমি তোমাকে ছাড়া
বাচব না।
. সুমনও মীমকে জড়িয়ে ধরোল।
একে অপরকে
ভালবাসার চাদরে জরিয়ে নিলো..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *