//(hadis)ব্রাশের পড়ি বর্তে মেসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে একটু জেনে নেই !।
hadis

(hadis)ব্রাশের পড়ি বর্তে মেসওয়াকের ফজিলত সম্পর্কে একটু জেনে নেই !।

hadis
hadis

(hadis)মিসওয়াক, একটি হারিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। ফযিলত জানলে আমলের আগ্রহ বাড়ে। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাযায়েল তুলে ধরার চেষ্টা করলাম।

মিসওয়াক করার ফায়দা সমুহ :-
১.♦ মিসওয়াক আল্লাহ্‌ তা’আলার সন্তুষ্টি লাভের মাধ্যম।
২.♦ মুখ কে পবিত্র ও পরিষ্কার রাখার মহাঔষধ।
৩.♦ মৃত্যু ছাড়া সব রোগের শিফা।
৪.♦চোখের জ্যোতি বাড়ায়।
৫.♦ দাঁতের মাড়ি সমুহ মজবুত করে তুলে।
৬.♦কফ, দূর করে।
৭.♦পেটে পানি জমতে বাধা দেয়।
৮.♦ ফিরিশতাগন খুশি হন।
৯.♦রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি মহামূল্যবান সুন্নাহ আদায় হয়।
১০.♦নামাযের সওয়াব বাড়িয়ে দেওয়া হয়।
১১.♦ শরীর কে সুস্থ ও সবল করে তোলে।
১২.♦ স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি করে।
১৩.♦কবরের জন্য শান্তি দায়ক।
১৪.♦শয়তান অখুশি হয়।
১৫.♦ আরামের সাথে জান কবজ হয়।
১৬.♦এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিসওয়াকের দরুন। মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব হয়ে ইমানদার হিসেবে মৃত্যুবরণ করার সৌভাগ্য অর্জনের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।
পরিশেষে একটি হাদিস দিয়ে শেষ করছি। এই হাদিস থেকেই বুঝা যায় মিসওয়াকের গুরুত্ব কত বেশি।

hadis
hadis

(hadis)”আমি যদি উম্মতের উপর কষ্ট হবার আশংকা না করতাম, তাহলে প্রত্যেক নামাযের আগে মেসওয়াক করার আদেশ দিতাম।” [বুখারী শরীফ, হাদীস নং ৮৮৭, মুসলিম শরীফ, হাদীস নং২৫২ ]

আল্লাহ্ তা’আলা আমাদের সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুন।